সোনারগাঁয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে গরুর হাট হবে না

282

সোনারগাঁ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন্যান্য বছরের ন্যায় রাজনৈতিক বিবেচনা ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের নামে পশুর হাটের ইজারা দেওয়া হবে না। সোমবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সমম্বয় কমিটির সভায় এ কথা জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু নাছের ভুঁঞা। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাছিমা আক্তার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) এসএম জাকারিয়া, সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ মোঃ মঞ্জুর কাদের, সাদিপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ মোল্লা, পিরোজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান মাসুম, বারদী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জহিরুল হক, কাঁচপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোশারফ ওমর, বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল রউফ, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আরিফ মাসুদ বাবু, নোয়াগাঁও ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইউসুফ দেওয়ানসহ উপজেলা অন্যান্য কর্মকর্তারা।

সভায় বক্তরা সোনারগাঁয়ে বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে বলেন, প্রত্যেকটি ইউনিয়নে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎরতায় মাদক অনেকাংশে কমেছে। জঙ্গী দমনে মালিক ও ভাড়াটিয়াদের তথ্য ফরম বিতরণের পুলিশের প্রশংসা করেন। এছাড়া মেঘনা নদীতে একটি বালু মহাল ইজারা নিয়ে ৯টি মহালে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সমালোচনা করে তারা বলেন কোন অদৃশ্য শক্তির বলে বালু খেকোরা রাতের আধারে বালু উত্তোলন করে। এজন্য প্রশাসনকে বালু ইজারাদারের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সুপারিশ করেন। এছাড়া আগামী ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে প্রত্যেকটি ইউনিয়নের পশুর হাটের ইজারা দেওয়ার ব্যাপারে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদেরকে সুপারিশ করা হয়েছে। এ বছর প্রত্যেকটি হাটের সর্বনি¤œ ইজারা ৩০ হাজার টাকা ধার্য্য করা হবে। পশুর হাটে যাতে গরু ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা র্নিবিঘেœ ও নিরাপদে রাতদিন চলাফেলা করতে পারে সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও চেয়ারম্যানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। এসময় প্রশাসনের পক্ষে থেকে বিভিন্ন চেয়ারম্যানদের নিজ উদ্যোগে সেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে মহাসড়ক যানঝট মুক্ত ও কোরবানীর বর্জ পরিস্কারের আহবান জানান।

এসময় চেয়ারম্যানরা ইউনিয়নের জনস্বার্থে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলে অন্য কোথাও হাট বসানোর জন্য প্রশাসনের অনুরোধ জানান।

এদিকে পিরোজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান তার মেঘনা নদীতে চাঁদাবাজির বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে তিনি বলেন, দিনের আলোতে এক শ্রেনীর সন্ত্রাসীরা ট্রলার নিয়ে বিভিন্ন জাহাজ ও বালু বোঝাই বাল্কহেডে জোর পূর্বকভাবে ২ হাজার টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে। চাঁদা না দিয়ে শ্রমিকদের মারধর করে নদীতে ফেলে দেয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া পিরোজপুর ইউনিয়নের উপর দিয়ে মহাসড়ক ও মেঘনা নদী প্রবাহিত হওয়ায় এখানে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও মাদক সেবীদের আস্তায়নায় পরিণত হয়েছে। তারা অপরাধ করে সহজেই পার পেয়ে যায়। তিনি এসময় পিরোজপুর ইউনিয়নে বিভিন্ন শিল্প-প্রতিষ্ঠান থাকায় এখানে বিভিন্ন দেশের বিদেশীরা থাকেন। তাদের সাথে পাকিস্তানী থাকেন যারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে জঙ্গিবাদ ঘটানোর সম্ভবনা থাকতে। সেজন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন। ###