সোনারগাঁয়ে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে ১২ ছাত্রী হাসপাতালে

258

সোনারগাঁ প্রতিনিধি: ক্লাসে মুখস্ত না করে আসায় ১২ জন ছাত্রীকে বেত্রাঘাত করে হাসপাতালে পাঠালেন এক শিক্ষক। বুধবার সকালে উপজেলার জামপুরের মজহমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীতে এ ঘটনা ঘটে। এসময় স্কুলের ছাত্রীদের চিৎকারে অন্য ক্লাসের ছাত্রীরা এসে অভিযুক্ত শিক্ষককে একটি ক্লাসে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু নাছের ভুঞা, সহকারী কমিশনার(ভুমি) এসএম জাকারিয়া ও সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(তদন্ত) হারুন অর রশিদ ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু তালেব ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের হাতে সোর্পদ করে। এসময় অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ওই স্কুলের ছাত্রীদের অভিভাবকরা।

সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী বৃষ্টি জানান, বুধবার দুপুর একটার দিকে ৭ম শ্রেণীর ‘খ’শাখায় ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র ক্লাস নিচ্ছিল। এসময় কয়েকজন শিক্ষার্থী পড়া না পাড়ায় অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে এবং তার কাছে প্রাইভেট না পড়ার ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন পড়া না পারলে বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে পারনা এই কথা বলে ছাত্রীদের বেত্রাঘাত করতে থাকেন। এতে ক্লাসেই ইরিন, বৃষ্টি, রাত্রি, সাদিয়া, নাজনীন, তানজিলা, সাদিয়া, তানিয়া, সানজিদা, সুর্বনা ও সোনিয়াসহ ১২ জন ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পরলে ছাত্রীরা ও শিক্ষকরা তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

এলাকাবাসী ও স্কুলের অভিভাবকদের অভিযোগ, মহজমপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক হাবিবুল্লাহের কাছে শিক্ষার্থীরা প্রাইভেট না পড়লেই বেত্রাঘাত ও অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে অশোভন আচরণ করে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক হাবিবুল্লাহ জানান, শ্রেনী কক্ষে শিক্ষার্থীরা পাঠদান না শিখে আসায় তাদের আমি শাসন করেছি। তবে আমি ষড়যন্ত্রের স্বীকার।

সোনারগাঁ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হারুনুর রশিদ জানান, এ ঘটনায় ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। ##