নিখোঁজ সন্তানের সন্ধানে দুইদিন ঘুরেও সোনারগাঁ থানা পুলিশ অভিযোগ শুনছেনা

17

মো: ফরিদ হোসেন-সোনারগাঁ প্রতিনিধি: গত ৮ অক্টোবর নিখোঁজ হয় সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র অহেদুল ইসলাম (১৯)। সেই নিখোঁজ সন্তানকে ফিরে পেতে সোনারগাঁ থানা পুলিশের দারস্ত হয়েছেন তার পিতা নুর হোসেন। কিন্তু দুইদিন ধরে অহেদুল ইসলামের পিতা থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করার জন্য ঘুরছেন পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে। পুলিশ কর্মকর্তারা দেখছি বলে বিভিন্ন তাহবাহানা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন নুর হোসেন।
নিখোঁজ অহেদুলের পিতা নুর হোসেন জানান, ঝালকাঠী জেলার রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের সাকরাইল গ্রামের নুর হোসেনের ছেলে অহেদুল ইসলাম সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। সে লেখাপড়ার পাশাপাশি সে মেঘনা গ্রুপ অফ ইন্ডাষ্টিজের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান তানবির পেপার মিলে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। অহেদুল ইসলাম প্রতিদিনই তার বাবা মার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলেও গত ৮ অক্টোবর পর থেকে তার বাবা মার সাথে কোন যোগাযোগ হয়নি। এমতাব¯’ায় তার বাবা নুর হোসেন ছেলের সন্ধানে ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর মেঘনা শিল্প নগরীর তানবির পেপার মিলে খোঁজ নেন। সেখান থেকে তিনি জানতে পারেন তার ছেলে গত ৮ অক্টোবর থেকে কাজে আসেনি। ছেলেকে না পেয়ে বাবা নুর হোসেন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। তার ছেলের সন্ধান পেতে দারস্ত হয় সোনারগাঁ থানা পুলিশের কাছে। কিš‘ গত দুই দিন ধরে একটি সাধারন ডায়েরী করবেন বলে পুলিশের কাছে ঘুরছেন। ওসি সাহেব নেই, নেই, নি”িছ বলে বিভিন্ন তালবাহানা করছে বলে অভিযোগ করেন তার পিতা নুর হোসেন।

তিনি আরো জানান, গত শনিবার সকাল থেকে আমি সোনারগাঁ থানার ডিউটি অফিসার অজিত স্যারকে আমার ছেলে নিখোঁজ হয়ে গেছে এ জন্য আমি একটি ডায়েরী করতে চাই। তখন ডিউটি অফিসার অজিত চন্দ্র বর্মাণ আমাকে বলেন পরে আসতে। আমি দু ঘন্টা অপেক্ষা করে পুরনায় তার কাছে গেলে তিনি জানান ওসি স্যার নেই। আপনি পরে আসেন, এভাবে সারাদিন পার করার পর রাতের বেলা ডিউটি অফিসার অজিত জানান আজ হবে না কাল আসেন। সারা রাত থানার বাহিরে খোলা আকাশের নিচে রাত যাপন করে তিনি রবিবার সকালে পুনরায় ডিউটি অফিসার এএসআই মুজিবুর রহমানে কাছে গেলে তিনিও জানান স্যার নেই, আজ হবে না কাল আসেন। এদিকে ছেলে না পেয়ে পিতা ও পরিবারের লোকজন হতাশায় দিন পার করছেন। অপরদিকে থানা পুলিশের কোন সাহায্য না পেয়ে তিনি মানসিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন।

নিখোজ ব্যক্তির মামাত ভাই মনির হোসেন জানান, শনিবার আমি মামার সাথে সোনারগাঁ থানায় আসি পুলিশকে বিষয়টি অতিবাহিত করি। কিন্তু পুলিশ আমাদের বিষয়টি ব্যবস্থা না নিয়ে পরে আসেন বলে বের করে দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনারগাঁ থানার সেকেন্ড অফিসার ফাইজুল রহমান বলেন আমি কি ডিউটি অফিসার। পরে সাংবাদিক পরিচয় দিলে তিনি জানান বিষয়টি আমি ইতিমধ্যে জেনেছি। ওসি স্যারের সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা নেব। ##