৭ খুন মামলায় বিউটির অসমাপ্ত জেরা ও দুই প্রত্যক্ষ স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন : পরবর্তী তারিখ-২১মার্চ

250

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামীদের আজ আদালতে হাজির করা হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী সোমবার সকাল সাড়ে দশটায় কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রধান আসামী নূর হোসেন, র‌্যাবের চাকুরিচ্যুত সাবেক তিন কর্মকতা লেফটেনেন্ট কর্ণেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন ও লেফটেনেন্ট কমান্ডার এম এম রানাসহ ২৩ আসামীকে আদালতে হাজির করা হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে মামলার আসামীদের উপস্থিতিতে ৭ খুনের ঘটনায় দায়েরকৃত পৃথক দুটি মামলার মধ্যে সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৫ জন হত্যা মামলার বাদি সেলিনা ইসলাম বিউটির অসমাপ্ত জেরা সম্পন্ন করা হয়। এর আগে আইনজীবি চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পালের দায়ের করা অপর একটি মামলার সুরতহাল রিপোর্টের দুই প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী ইউসুফ এবং মোহাম¥দ হোসেনের স্বাক্ষ্য গ্রহন করে। সাতহত্যা মামলায় অভিযুক্ত ৩৩ আসামীর পক্ষের আইনজীবিরা প্রত্যক্ষ স্বাক্ষীদের জেরা করেন। তবে সাতহত্যা মামলার প্রধান আসামী নুর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক সিও তারেক সাঈদের পক্ষের আইনজীবিরা জরা ও স্বাক্ষ্য গ্রহনের জন্য সময়ের আবেদন করলে আদালত পরবর্তি স্বাক্ষ্য গ্রহন ও জেরার জন্য ২১মার্চ নির্ধারন করেন।
বাদি পক্ষের আইজীবী এ্যাডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন, নূও হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক সিও তারেক সাঈদের পক্ষে এ মামলার স্বাক্ষ্য বিলম্বিল করার জন্য চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা আশা করছি বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে এ মামলার কার্যক্রম যেন বিলম্বিত করা না হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইজীবী এ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানিয়েছে, দুই মামলাই নূর হোসেন ও তারেক সাঈদের পক্ষে আইনজীর সময়ের আবেদন আদালত মঞ্জুর করেছে । আদালত ন্যায় বিচারের স্বার্থে আদালত সময় দিয়ে আগামী ২১ মার্চ স্বাক্ষীর জন্য দিন যার্ধ্য করেছে। এ্যাডভোকেট চন্দন সরকার ও গাড়ি চালক ইব্রাহিমের সুরতহালের দুইজন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন করা হয়েছে। এসময় ৩৩জন আসামীর পক্ষে দুজন স্বাক্ষীকে জেরা করা হয়েছে।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম সহ ৭ জনকে অপহরণের তিন দিন পর লাশ উদ্ধার করা হয়। খুনের ঘটনায় প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও তার ৪ সহযোগী হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি বাদী হয়ে একটি এবং সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার গাড়ির চালক ইব্রাহিম হত্যার ঘটনায় জামাতা বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে একটি মোট ফতুল্লা মডেল থানায় দুটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ এক বছর তদন্তের পর তদন্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল মামলার নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ###