সিদ্ধিরগঞ্জে কর্মরত অবস্থায় নিখোঁজ শিশু শ্রমিকের সন্ধানে দারে দারে ঘুরছে সাংবাদিক পিতা

152

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি এলাকায় তারপিন ক্যামিকেল কোম্পানীতে কর্মরত অবস্থায় নিখোঁজ শিশু শ্রমিক সামাদ মিয়ার খোজে দারে দারে ঘুরছে সাংবাদিক পিতা শাহাদাৎ হোসেন। তার ছেলের খোজে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় পুলিশের কাছে গিয়েও কোন ব্যাবস্থা না নেওয়ায় আজ বৃহস্পতিবার নারায়নগঞ্জ পুলিশ সুপারের বরারবর আবেদন করেন তিনি। এদিকে নিখোঁজ শিশুর পিতা মাতা সাংবাদিক দম্পতি তাদের সন্তানের খোজেঁ মিজমিজি তারপিন ক্যামিকেল কোম্পানীর মালিকের সাথে দেখা করে ছেলেকে ফেরত চাইলে মালিক পক্ষ্য তাদের তালবাহা কথা বলে থানা পুলিশ না করার জন্য হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে শিশুর পিতা।

24831211_1433975469984414_1842217063117481862_oএদিকে মালিক পক্ষ উল্টো থানায় জিডি করে নিখোঁজ সন্তানের পিতা মাকে হয়রানি করছে।
শিশু শ্রমিক নিখোঁজ সামাদ মিয়ার পিতা সাংবাদিক শাহাদাৎ হোসেন জানান, গত ৩ডিসেম্বর তার শ^াশুরীর মোবাইল ফোনে মালিক পক্ষের লোকজন ফোন করে বলে তাদের সন্তান সামাদ মিয়াকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ খবর পেয়ে ৪ ডিসেম্বর শাহাদাৎ হোসেন তার স্ত্রীকে নিয়ে ময়মনসিংহ থেকে নারায়ণগঞ্জে মিজমিজি তারপিন ক্যামিকেল কোম্পানীর মালিকের সাথে দেখা করে ছেলের সন্ধান চাইলে তাদের সাথে তালবাহানা করেন। এর আগে তারা আশপাশের প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলে জানতে পারেন তার ছেলেকে কাজের সময় মারধর করতো মালিকের লোকজন।
এ ব্যাপারে আজ বৃহস্পতিবার সকালে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবর এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের তদন্তের আবেদন করেন।
নিখোঁজ শিশুর পিতা শাহাদাৎ হোসেন, পুলিশ সুপারের কাছে আবেদনে উল্লেখ করেছে, শাহাদাৎ হোসেন ময়মনসিংহ জেলার সদর থানার ভালুকা এলাকার ভয়রা গ্রামের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলীর ছেলে। সে ময়মনসিংহ জেলার স্থানীয় দৈনিক আজকের খবরের রিপোর্টার। তার শিশু ছেলে সামাদ মিয়া(১৩) পড়া শুনা না করায় ছেলের মা ও তার নানীকে ফুসলিয়ে তারপিন ক্যামিকেল কম্পোনীর মালিক দুলাল মিয়া তার পিতার নাম মুকুল হোসেন, ও মালিকের ছেলে মাসেদ সহ অজ্ঞাত ৭/৮ জন মিলে শিশু ছেলেকে ৫মাস যাবত তাদের তারপিন ক্যামিকেল কোম্পানীতে কাজ করায়। প্রতিবেশীদের কাছে জানতে পারে মিশুকে কাজ করার সময় প্রায়ই মারধর করতো। এ অবস্থায় মালিক পক্ষের রহস্যজনক আচরনের কারনে অভিযোগে তারা উল্লেখ করা হয়েছে তারপিন কোম্পানীর মালিক কর্মচারীরা তার ছেলে সামাদ মিয়া কে অন্যা কোথাও পাচার করেছে না হয় তাকে মেরে লাশ ঘুম করে ফেলেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এ ব্যাপারে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশে কাছে অভিযোগ করলেও তারা আমলে নেয়নি বিদায় পুলিশ সুপারের বরাবর আবেদন করলাম।
এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার মঈনুল হক জানিয়েছে, শিশু নিখোঁজের ঘটনায় যে আবেদন করা হয়েছে এ বিষয়ে সার্বিক খোঁজ নিয়ে তাকে সবরকমের আইনী সহযোগীতা দেয়া হবে এবং শিশু ছেলেকে উদ্ধারের বা অন্য কোন অপরাধের শিকার হলে  পুলিশ তাকে উদ্ধারে সব রকমের সহায়তা করা হবে। ###