মায়েরা যেসব সন্তানদের দেশের প্রয়োজনে ছেড়ে দিয়েছিলেন তারাই মুক্তিযোদ্ধা হয়েছে- এমপি বাবু

702

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু বলেছেন, ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখা যাবেনা। জেগে থেকে স্বপ্ন দেখতে হবে। আমাদের বাচ্চাদের গড়ে তোলার স্বপ্ন। এ সমাজকে গড়ে তোলার স্বপ্ন। এ দেশকে গড়ে তোলার স্বপ্ন। নিজ নিজ সন্তানকে আমরা সবাই ভালোবাসি। ভালবেসে আগলে রাখি। কিন্তু শুধু আগলে রাখলেই চলবে না। সমাজের প্রয়োজনে দেশের প্রয়োজনে সন্তানদের ছেড়েও দিতে হবে। বহু দূরে যেতে দিতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় যেসব মায়েরা দেশের জন্য সন্তানদের ছেড়ে দিয়েছিলেন তারাই মুক্তিযোদ্ধা হয়েছে, বীর বিক্রম, বীর প্রতীক, বীর শ্রেষ্ঠ হয়েছে।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। রোববার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের শহীদ সাংবাদিক হানিফ খান মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন ক্যাম্ব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপ এর চেয়ারম্যান লায়ন এম কে বাশার পিএমজেএফ। নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক শরীফ উদ্দিন সবুজ, সাবেক সাধারন সম্পাদক নাফিজ আশরাফ, বিশিষ্ট লেখক আনিসুর রহমান আনিস,নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি।
ক্যাম্ব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপ এর চেয়ারম্যান লায়ন এম কে বাশার পিএমজেএফ বলেন, প্রশ্ন ফাসের মাধ্যমে জাতিকে পঙ্গু করে দেয়া হচ্ছে। ছোট বেলা থেকেই আমাদের চৌর্যবৃত্তি শেখানো হচ্ছে। যথাযথ শিক্ষা না পেয়েই এখন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার,শিক্ষক হওয়া যাচ্ছে। লেখা পড়া না শিখে ডাক্তার হলে রোগীরা ডাক্তার পাবে কিন্তু সেবা পাবেনা। একারনে আমাদের দেশের রোগীরা বাইরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। লেখা পড়া না শিখে ইঞ্জিনিয়ার হলে সে ইঞ্জিনিয়ার তো রডের পরিবর্তে বাঁশ দিয়েই বিল্ডিং, রাস্তা বানানোর চেষ্টা করবে। লেখা পড়া না শিখে শিক্ষক হলে অনেক প্রতিষ্ঠান পড়ানোর জন্য শিক্ষক খুজে পাবেনা আবার শিক্ষকরা চাকরির জন্য তদবির করবে।
নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব আয়োজিত এ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তিনটি বিষয়ে সাতটি বিভাগে প্রায় দু’শ প্রতিযোগি অংশ নেয়। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় পুরস্কার ছাড়াও সকল প্রতিযোগিকেই অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত করা হয়।#