মহানগর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে প্রবীণ নেতার সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগ

345

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহার বিরুদ্ধে প্রবীণ এক আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাতে মোঃ মোবারক হোসেন নামে ওই আওয়ামী লীগ নেতার মোবাইল ফোনে ফোন করে খোকন সাহা অকথ্য ভাষায় গালাগাল এবং পিটিয়ে হাত পা ভেঙ্গে দেবার হুমকি দেন।

বিষয়টির প্রতিকার দাবি করে মোবারক হোসেন শনিবার ঘটনাটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন। এর অনুলিপি দেওয়া হয়েছে দলে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক ঢাকা বিভাগ, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক ও বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতিকে। মোবারক হোসেন বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। ১৯৯২ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি বন্দর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এখন তিনি ওই কমিটির সদস্য।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে খোকন সাহা বলেছেন, তিনি মোবারক হোসেনকে দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি না করতে অনুরোধ করেছেন মাত্র। কোনো ধরণের অশোভন আচরণ করেননি। মোবারক হোসেনের অভিযোগ মিথ্যা।
মোবারক হোসেনের অভিযোগ, অ্যাডভোকেট খোকন সাহা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হলেও তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে বন্দর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের কমিটি গঠনের পাঁয়তারা করছেন এবং সেখানে তার পছন্দের লোকজনকে পদায়নের চেষ্টা করছেন। কিন্তু এ দায়িত্ব উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের।
মোবারক আরো বলেন, গতকাল শনিবার বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়নের কর্মী সভায় অতিথি করা হয়েছে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহাকে। তিনি এ বিষয়ের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন। একারণে খোকন সাহা তার উপর ক্ষুব্ধ হয়ে তার সঙ্গে টেলিফোনে অশোভন আচরণ করেন।
খোকন সাহা মোবারক হোসেনের দাবি অস্বীকার করে বলেন, মোবারক হোসেন দলের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। তিনি দলের অভ্যন্তরে উপদল সৃষ্টিতে চেষ্টায় রত। আমি তাকে ফোন করে বলেছি দলের স্বার্থ বিরোধী কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকতে। কিন্তু তিনি বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে মিডিয়া কভারেজ নিতে চেষ্টা করছেন। এর বেশি কিছু নয়।#