বাদলের বিরুদ্ধে পঞ্চাশ কোটি টাকার মান হানি মামলা : ইত্তেফাকে ভুল সংশোধনী যেনেও রিপনের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ

4489

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: মিথ্যা তথ্য ও কাল্পনিক বিত্তিহীন তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশিত করায় দৈনিক ইত্তেফাকের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ও দৈনিক ডান্ডি বার্তা পত্রিকার সম্পাদক হাবিবুর রহমান বাদলের বিরুদ্ধে পঞ্চাশ কোটি টাকার মানহানী মামলা দায়ের করেছে আলী রেজা রিপন। আজ বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমামের আদালতে আলী রেজা রিপন বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। আদালত বাদি’র জবানবন্দি নিয়ে মামলার শুনানী শেষে ২৮মে ২০১৭ মামলার পরবর্তি তারিখ নির্ধারন করেন।
মামলার আবেদনে বাদি উল্লেখ করেছেন, উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে এবং একজন প্রভাবশালী ব্যাক্তির প্ররোচনায় হাবিবুর রহমান বাদল মিথ্যা তথ্য দিয়ে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ও স্থানীয় ডান্ডি বার্তা পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত করে আলী আহাম্মদ চুনকা পরিবারের সম্মানহানী করেছেন।  আলী রেজা রিপন একজন সহজ,সরল, শান্তিপ্রিয়,ভদ্র,মার্জিত ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যাবসায়ী। সে পশ্চিম দেওভোগ পঞ্চায়েত কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের কমিটিতে গুরুত্বপূর্ন পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি নগরীর একটি সম্ভ্রান্ত পরিবার সাবেক পৌরপিতা আলী আহাম্মদ চুনকার ছেলে, বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর ছোট ভাই এবং মহানগর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আহম্মদ আলী রেজা উজ্জলের বড় ভাই।
মামলার উল্লেখ করা হয়েছে, হাবিবুর রহমান বাদল নিজে  আলী রেজা রিপনের প্রতিবেশী। বাদল নিজেও অবগত আছেন আলী রেজা রিপন একজন একজন সহজ,সরল, শান্তিপ্রিয়,ভদ্র,মার্জিত ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু হাবিবুর রহমান বাদল উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে তার নিজের সম্পাদিক ডান্ডি বার্তা পত্রিকায় মেয়র আইভী ও তার ভাই রিপনের ছবি দিয়ে প্রথম পাতায় ফলাও করে সংবাদ পরিবেশন করেছেন। চট্রগ্রামের বাশখালি এলাকার নাসির নামের একজন প্রতারক নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী’র ছোট ভাই আলী রেজা রিপনের কাছ থেকে ব্যাবসার কথা বলে সাড়ে চার কোটি টাকা আত্মসাত করার ঘটনা ডিবি পুলিশের কাছে প্রতারক নাসির স্বীকার করলেও রহস্যজনক কারনে এত বড় অংকের টাকা হাতছাড়া হওয়ার পরও আলী রেজা রিপন নিরব ভূমিকা পালন করছেন। তার এই নিরব ভূমিকায় পুলিশের প্রশ্ন উঠেছে এত বড় অংকের টাকা হাতছাড়া হওয়ার পরও রিপন নিরব ভূমিকা পালন করছে কেন? এ টাকার রহস্য ও রিপনের নিরব ভূমিকার অনুসন্ধানে পুলিশ মাঠে নামবে উল্লেখ করে উল্লেখিত দুটি পত্রিকায় হাবিবুর রহমান বাদল সংবাদ পরিবেশন করেছেন। এ ধরনের তথ্যেও কোন ভিত্তি নেই, মিথ্যা মনঘড়া বানোয়াট তথ্য দিয়ে আলী আহম্মদ চুনকার পরিবারকে অসম্মান করার জন্য এ সংবাদ প্রকাশিত করেছে। এর আগেও কেঙ্গারু পারভেজ গুম খুনের মিথা মামলা দিয়ে রিপনের ছোট ভাই আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জলকে জেল খাটিয়েছে। উল্লেখ্য, হাবিবুর রহমান বাদল একটি প্রভাবশালী ব্যাক্তি ও পরিবারের প্ররোচনায় রিপনের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে দন্ড বিধি ৫০০ধারায় অপরাধ করেছে। প্রকৃত ঘটনা হলো খেলা ঘরের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহিরের কাছ থেকে এ সাড়ে চার কোটি টাকা নাছির হাতিয়ে নিয়েছে।
এ বিষয়ে মামলার বাদি পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট জাকারিয়া হাবিব জানিয়েছেন, ইত্তেফাক পত্রিকায় ভুলবসত রিপনের নাম চলে আসে এবং এর পরের দিন ১০ এপ্রিল ইত্তেফাক পত্রিকায় ভূল সংশোধন করে রিপনের নাম ভুলে ছাপা হয়েছে এমন একটি বিজ্ঞপ্তি ছাপা হওয়ার পরও ।

হাবিবুর রহমান বালদ নিজে জানেন এ সংবাদটির ভূল সংশোধন হয়েছেন জেনেও তার নিজের সম্পাদিত ডান্ডি বার্তা পত্রিকায় ফলাও করে নিউজ ছাপিয়ে চুনকা পরিবারকে হেয়পতিপন্ন করার জন্য মেয়র আইভীর সম্মানহানি করার জন্য, ইচ্ছাকৃতভাবে ধারনা করা হচ্ছে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ধরনের সংবাদ কেন প্রকাশিত করলেন। তিনি কার স্বার্থ হাসিল করার জন্য এমন একটি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে চুনকা পরিবারের সম্মানহানি ঘটালো। হাবিবুর রহমান বাদল নিজে অবগত আছেন ইত্তেফাক পত্রিকায় রিপনের নাম ভূলে আসায় সংশোধনী ছাপিয়েছেন এবং ইত্তেফাক পত্রিকায় কোথাও রিপনের অবৈধ টাকার উৎস বের করতে পুলিশ মাঠে নামছে উল্লেখ করে নাই। তার পরও তার সম্পাদিক দৈনিক ডান্ডি বার্তা পক্রিকায় তিনি পুলিশের বরাত দিয়ে এসব বিষয় জোর করে তুলে আনলেন। এবং এ ঘটনাটি এত বড় হেডলাইন করে ফলাও করে প্রকাশিত করে সমালোচনার জন্মদিলেন। এ কারনে বাদি মনে করছেন তাদেও সামজিত রাজনৈতিক ভাতে মানহানী হয়েছে। এ অভিযোগ দন্ড বিধি ৫০০ধারায় পঞ্চাশ কোটি টাকার মান হানি মামলা দায়ের করেছেন। ###