বন্দরে কদম রসুল কলেজ সরকারি করণ করায় দোয়া

152

বন্দর প্রতিনিধি: বন্দরে কদম রসুল কলেজকে সরকারি করণ করা হয়েছে। গত ২০ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ শাখা ৯ এর স্বারক নং ৩৭.০০.০০০০.০৭০.০২.০৪৪.২০১৬-১০৫ পত্র মোতাবেক নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয় স্বারক নং ০৫৪১৬৭০০৪০১০২০১২১৭-৩০১/৪ গত ২৬ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে সহকারি কমিশনার স্বাক্ষরিত পত্র মোতাবেক কলেজ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে। কলেজ কর্তৃপক্ষ এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার বিকেলে কদম রসুল কলেজ মাঠে দোয়ার আয়োজন করে। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুকুলে কলেজের ১ একর ৫০ শতক জমি রেজিস্ট্রি করে দেবেন। কলেজের সভাপতি প্রফেসর ড. শিরিন বেগমের সভাপতিত্বে দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ আলহাজ¦ সেলিম ওসমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাবির্ক, শিক্ষা ও আই.সি.টি) মোঃ ছারোয়ার হোসেন, বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী হাবীব, বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আতাউর রহমান মুকুল, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ¦ এম এ রশিদ, জেলা জাতীয়পার্টিও আহবায়ক আলহাজ¦ আবুল জাহের, কলেজের অধ্যক্ষ মাহতাব উদ্দিনসহ কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী ও স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। দোয়ায় কদম রসুল কলেজকে সরকারি করণ করায় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।
দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ সেলিম ওসমান বলেন, এ কলেজের সম্পত্তিটি কয়েক দিনের মধ্যে সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এলাকার মানুষ আমাকে বাধ্য করেছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার জন্য এবং কলেজটিকে সরকারি করার জন্য। সামনে নির্বাচন এ জন্য আমি নবীগঞ্জ ঘাটটিকে টোল ফ্রি করে দিয়েছি। আমি প্রতিদিনই এ ঘাট নিয়ে ব্যাপক অভিযোগ পাচ্ছি। আমি কোন অভিযোগ শুনব না। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে গেলেও বন্দরের মানুষ স্বাধীনতা পায়নি। এখনো এ এলাকার জনগন টোল দিয়ে নদী পার হয়। মদনপুর- মদনগঞ্জে ৪ লেন রাস্তা হবে। এ কথা শুনে কিছু মানুষ উক্ত রাস্তায় অবাধে ছোট বড় দোকান নির্মান করে আসছে। দলিল সম্পাদন অনুষ্ঠানে মুকুল সাহেবকে না পেয়ে কষ্ট পেলাম। আপনি জানেন এটা সিটি কর্পোরেশন এলাকা। এটা উপজেলা নয়। কারো জন্য কোন কিছু আটকে থাকবে না। বন্দরের কাজ চলবে। আমি বেঁচে থাকলে বন্দর ও নবীগঞ্জ এলাকা দিয়ে ব্রীজ হবে। আরো দেড় বছর আপনাদের গোলামী করব। দেড় বছর পর কি হবে তা আমি জানি না। রমজান মাসে বন্দরবাসীর যাতায়াতের জন্য যাতে কোন কষ্ট না হয় সে লক্ষ্যে নদী পারাপারে জন্য ফেরি ব্যবস্থা করা হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানার অফিসার ইনর্চাজ আবুল কালাম, বন্দর ইউপি চেয়ারম্যান এহসানউদ্দিন আহাম্মেদ, মুসাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, মদনপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম এ সালাম, বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সানাউল্ল্যাহ সানু, জেলা জাতীয় পার্টির নেতা আকরাম আলী শাহীন ও বন্দর থানা ছাত্রলীগ নেতা আরাফাত কবীর ফাহিম প্রমুখ। ###