ফার্মাসিষ্ট বিক্রি করবেন ঔষধ নারায়ণগঞ্জে মডেল ফার্মেসী উদ্বোধন

105

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: বাংলাদেশ ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, অনেক ঔষধ আছে যেটি উৎপাদনের পর থেকে সেবনের আগ মূর্হর্ত পর্যন্ত নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রাখতে হয়। আমাদের দেশের অনেক ফার্মেসীতেই তা মানা হয়না। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই ঔষধ খেয়ে লাভ হয়না। বা উল্টো প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। দোকানের ভেতরের তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে এবং বিশেষ ঔষুধ বা টিকা রাখার জন্য দোকানে ফ্রিজ থাকতে হবে। ওষুধের দোকানে খাদ্যসামগ্রী রাখা যাবে না। ফটোকপির মেশিন বা কোনো মেশিন থাকতে পারবেনা ফার্মেসীতে। সরকার জনগনের স্বার্থে দেশের বিভিন্ন স্থানে মডেল ফার্মেসী বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জেও মডেল ফার্সেসি চালু করা হলো।

গতকাল দুপুরে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় ল্যাবএইড হাসপাতালে নারায়ণগজ্ঞ জেলা বাংলাদেশ কেমিষ্টস এণ্ড ড্রাগিষ্টস্ সমিতি’র উদ্যোগে মডেল ফার্মেসী উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফার্মাসিষ্টরাই ফার্মেসি চালায়। একজন ফার্মাসীষ্ট ফার্মেসী চালালে তিনি কোনো ঔষধ সম্পর্কে প্রেসক্রিপশন দেখে রোগীকে এর প্রভাব সম্পর্কে বুঝিয়ে বলতে পারবে। কোনো ঔষুধের প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে সেক্ষেত্রে কি করনীয় সে-সম্পর্কে সঠিক পরামর্শ দিতে পারবে। প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী কোন ঔষুধ না পেলে ঐসময় কি ধরণের ঔষুধ খাবেন সে বিষয়ে সঠিক দিক নির্দেশনা সহ বিভিন্ন ভাবে রোগীকে সাহায্য করবে। জাতীয় ঔষুধনীতিতে উল্লেখ করা ৩৯টি ওষুধ ছাড়া কোনো ঔষুধ ব্যবস্থাপত্রবিহীন বিক্রি করা যাবে না। নিবন্ধনহীন ওষুধ, সরকারি ওষুধ ও চিকিৎসককে দেওয়া কোম্পানির নমুনা ওষুধ বিক্রি হবে না।
মডেল ফার্মেসীতে অবশ্যই কমপক্ষে একজন ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী ফার্মাসিস্ট থাকবে। এসব শর্ত পূরণ হলেই সে ফার্মেসীকে একটি মডেল ফার্মেসী বলবো।
বাংলাদেশ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক রুহুল আমিন বলেন,যেসব ফার্মেসী লাইসেন্স বিহীন অবস্থায় আছে, শ্রীঘ্রই তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে তাদের উচ্ছেদ করা হবে। কিন্তু সে ফার্মেসীতে একজন ফার্মাসিস্ট থাকে তাহলে সাথে সাথে লাইসেন্স দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ কেমিষ্টস এণ্ড ড্রাগিষ্টস্ সমিতি নারায়ণগজ্ঞ জেলা শাখা ও সদস্য কেন্দ্রীয় কমিটি মোঃ শাহ্জাহান খান এর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ কেমিষ্টস এণ্ড ড্রাগিষ্টস্ সমিতির সহ-সভাপতি আব্দুল হাই, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হাফেজ দ্বীন আলী, ল্যাবএইড হাসপাতালের সিইও রাজিউল আমীন চৌধুরী, নারায়ণগজ্ঞ জেলা বিআইপিএস এর কার্যকরি সদস্য নেকাউল ইসলিম জুয়েল, দোকান মালিকদের পক্ষ হতে নুরুল আমিন, আব্দুল লতিফ প্রমূখ।#