ফতুল্লায় ৫ সাংবাদিকের উপর হামলা,কিলার ফরিদ সহযোগীসহ গ্রেফতার

25

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ ফতুল্লায় চাঁদাবাজীর প্রতিবাদ করায় পাঁচ সাংবাদিকের উপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে ফতুল্লার শীর্ষ সন্ত্রাসী ফরিদের নেতৃত্বে একদল ক্যাডার। এসময় আশপাশের লোকজন দুই সন্ত্রাসীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। সোমবার দুপুরে ফতুল্লার পঞ্চবটি এলাকায় এঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর অতিরিক্তি পুলিশ সুপার শরফুদ্দিন ও ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন আহত সাংবাদিকদের দেখতে হাসপাতালে যান।
ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সৈয়দ ওবায়দুল্লাহ জানান, ফরিদ প্রায়ই ফতুল্লার বিভিন্ন দোকানে চাঁদাবাজী করে। সোমবারও সে ও তার ক্যাডাররা প্রেসক্লাবের মালিকানাধীন দোকান থেকে জোর করে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা করে। এসময় ফতুল্লা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি, সাধারন সম্পাদকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করেন। এসময় ফরিদ ও তার বাহিনীর প্রায় ১৫/১৬জন ক্যাডার সাংবাদিকদের উপর হামলা চালায়। প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানায়, ফরিদের সাথে আসা সন্ত্রাসীদের মধ্যে সামসুল হক আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শণ করে। সে একাধিক বার রিভালবার উচিয়ে গুলি করার চেষ্টা করে। এসময় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান অনুকে অপহরণের চেষ্টা চালায় সন্ত্রাসীরা। এসময় আশপাশের লোকজন ধাওয়া করে ফরিদ ও তার সহযোগী কালামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এসময় সামসুল হক, রুবেল, হৃদয়,সুমন ও কাউছারসহ অন্যান্য সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
আহত সাংবাদিকরা হলেন, ফতুল্লা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন প্রধান, সাধারন সম্পাদক আনিসুর রহমান অনু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম, আব্দুল আলীম লিটন ও ডিয়েল। এদের মধ্যে অনু ও ডিয়েল হাসপাতালে ভর্তী করা হয়েছে। অন্যদের চিকিৎসা দিয়ে বাসায় বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- ইফতেখার আহমেদ ফরিদ ওরুফে কিলার ফরিদ ও তার সহযোগী কালাম। সন্ত্রাসী কিলার ফরিদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুর রশিদের পুত্র যুবলীগ নেতা মুকুলকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যাসহ একধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া ফরিদের বিরুদ্ধে পঞ্চবটি এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির অভিযোগও রয়েছে।
এব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি কামাল উদ্দিন জানান, ফরিদ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী তার বিরুদ্ধে একাধীক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।#