নারায়ণগঞ্জে এশিয়া কাপের টিকেট বিক্রি নিয়ে হয়রানীর অভিযোগ

761

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম, 24 February 2014 at 06:24 pm :

এশিয়া কাপের টিকেট বিক্রি নিয়ে হয়রানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে ইউসিবি ব্যাংকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ উঠেছে টিকেট বিক্রির অযুহাতে ইউসিবি ব্যাংক ইউক্যাশ একাউন্ট খুলতে বাধ্য করছে ইউসিবি ব্যাংক। এছাড়া টিকেটেরও অতিরিক্ত মুল্য নেয়া হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ষ্টেডিয়ামে আগামী ২৫,২৬,২৭,২৮ ফেব্রোয়ারী ও ১ লা মার্চ এশিয়া কাপ ক্রিকেটের পাঁচটি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এ খেলগুলির জন্য গত রোববার থেকে নারায়ণগঞ্জে টিকেট বিক্রি শুরু করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিঃ। তবে টিকেট বিক্রির অযুহাতে তারা ক্রিড়ামোদিদের ইউক্যাশ এর একাউন্ট খুলতে বাধ্য করছে। ফতুল্লা থেকে আসা ক্রিড়ামোদি মুহাইমিনুল ইসলাম বলেন, ব্যাংকের লোকজন বলছে ইউ-ক্যাশ একাউন্ট না খুললে টিকেট পাওয়ার কোন সিস্টেম নেই। কারন ঐ একাউন্টের মাধ্যমে টাকা জমা দেয়া ও ঐ একাউন্টেই এসএমএস এর মাধ্যমে টিকেট বিক্রির নিশ্চয়তা মেসেজ আসবে। ফলে সবাই বাধ্য হয়ে এ একাউন্ট খুলছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে আসা অষ্টম শ্রেণীর স্কুলছাত্র মোর্শেদ আলম জানান, একাউন্ট খুলতে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রয়োজন। যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তারা একাউন্ট খুলতে পারছেন না। আমি বাধ্য হয়ে আমার মায়ের জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে একাউন্ট খুলে টিকেট নিয়েছি। এছাড়া দুইশ টাকার টিকেটের মুল্য নেয়া হচ্ছে দুইশত ত্রিশ টাকা। দুইশ টাকার টিকেট ব্যাংকের ফিতা, কার্ড লাগানো লোকজন-ই কালোবাজারে পাঁচশ, সাতশ টাকায় বিক্রি করছেন।
একাউন্টে টাকা জমা হওয়ার পর একটি এসএমএস আসার কথা টিক্রেট কিনতে আগ্রহীর মোবাইল ফোনে। যেটি দেখিয়ে সে টিকেট পাবে। কিন্তু অনেকের সেটি আসছে না। আসলেও টিকেট নিতে যেতে হচ্ছে দূরের ব্যাংকে। এমন অভিযোগ করলেন পাগলা থেকে আসা সালেহীন মোল্লা।
ইউসিবি ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জের ম্যানেজার মোহাম্মদ আকতার হোসেন এসব অভিযোগ অস্বিকার করে জানান, ইউক্যাশ একাউন্ট খোলার কারনে মানুষ হয়রানী হচ্ছেনা বরং হয়রানী কমেছে। মানুষকে লাইনে দাড়িয়ে ব্যাংক খোলার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। যেকোন যায়গা থেকে ইউ-ক্যাশ একাউন্ট খুলেই মানুষ টিকেট কিনতে পারছে। তিনি বলেন, ১৫ ভাগ ভ্যাট হিসেবে টিকেটের মুল্যের অতিরিক্ত টাকা নেয়া হচ্ছে। টিকেট বিক্রিতে কালোবাজারির অভিযোগ তিনি অস্বিকার করেন।
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ম্যাচে সাধারন ক্যাটাগরির টিকেটের মূল্য ছিলো ৫০ ও ১০০ টাকা। এবার সেটির মুল্য দুইশত টাকা। চাষাড়া শাখার ৪৪৩০ টিকেটের মধ্যে সাধারন ক্যাটাগরির টিকেটের পরিমান ৩৮০০। #