নগরীর কর্মব্যাস্ত জীবনে অনেকে শখ হিসেবে বেছে নিয়েছে সবজী চাষ

1141

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নগরীর কর্মব্যাস্ত যান্ত্রিক জীবনে হাপিয়ে উঠা মানুষের মধ্যে অনেকে শখ হিসেবে বেছে নিয়েছে সবজী বাগানে কৃষি উৎপাদন। বাড়ির, বারান্দায়, ছাদে একটু জায়গাতেই নানা রকম সবজী চাষ করছে। প্রাকৃতিক নির্যাসে নিজের চাষাবাদে ফলা এসব টাটকা সবজী দৈনন্দিন খাবারে তুলনামূলকভাবে যোগানে কম হলেও তৃপ্তি পাচ্ছে সবজী চাষীরা। নারায়ণগঞ্জ নগরীর বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় অনেকে মৌসুমী সবজী চাষ করছে। আর এসব নানা রকম সবজীর চারা শহরের ফুটপাতে পাওয়া যাচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম প্রতিবেদক এমন এক চারা বিক্রেতার সাথে কথা বলে। চারা বিক্রেতার নাম আল আমিন। সে গত আট বছর ধরের নগরীর ফুটপাতে বিভিন্ন রকমের সবজী চারা বিক্রি করে যে আয় হচ্ছে তা দিয়ে তার সংসার চালাচ্ছেন। চারা বিক্রেতা আল আমিন জানান, তার সংগ্রহে রয়েছে লাউ চারা, বেগুন চারা, কয়েক রকমের মরিচ চারা, সীম চারা, মিষ্টি কুমড়া, পেপে চারা রয়েছে। বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্ন রকমের চারা বিক্রি বরছি। অনেকেই চারা নিয়ে চাষ করছে। এসব সবজীর চারা বরিশাল, ভোলা থেকে সংগ্রহ করি। তুলনামূলক ভাবে স্বল্প টাকায় এসব চারা ক্রয় করতে পারছে।
কয়েকজন সবজী চাষীর সাথে কথা হলে নগরীর জামতলা এলাকার শফিউল আলম জানান, সে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠা চাকরী করেন, অফিসের কাজ শেষে তার বাকি অবসর সময়ের ভাড়া বাড়ির ছাদে গড়ে তুলেছেন একটি সবজী বাগান। বিভিন্ন মৌসুমে নানা রকম সবজী চাষ করছেন তিনি। শফিউল আলম জানিয়েছেন, নিজের হাতে চাষ করা টাটকা সবজী খাওয়ার মজাই আলাদা। অনেক তৃপ্তি পাই নিজের বাগানের সবজী খেয়ে। এমন আরেকজন শহরের নতুন পালপাড়া এলাকার গৃহিনী লক্ষ্মী রানী জানিয়েছেন, নিজের বাড়ির বারান্দায় ও ছাড়ে ফুল গাছের পাশাপাশি সবজী চাষ করছেন তিনি। নিজের সবজী বাগানের লাউ খেয়েছি। দারা শাক, লাল শাক লাগিয়েছি, এখনও ছোট ১৫/২০ দিনের মধ্যে শাক খেতে পারবো। সারাদিনে অবসর সময়টা বাগানের কাছে ব্যায় করি। অনেক আনন্দ পাই। নিজের বাগানের সবজী খেয়ে। ####