ডান্ডিবার্তা পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে পশ্চিম দেওভোগ পঞ্চায়েত ও এলাকাবাসীর বিবৃতি

3798

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: মেয়র আইভীর ভাই রিপনকে নিয়ে দৈনিক ডান্ডি বার্তা পত্রিকায় কোটি টাকার সন্ধানে মাঠে পুলিশ” শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে পশ্চিম দেওভোগ পঞ্চায়েত কমিটি। আজ মঙ্গলবার বিকেলে পশ্চিম দেওভোগ পঞ্চায়েত কমিটি’র সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব আহাম্মদ আলী বেপারী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতি পাঠানো হয়। বিবৃতিটি হুবহুব তুলে ধরা হল গত ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার দৈনিক ডান্ডিবার্তা পত্রিকায় লিড নিউজে “মেয়র আইভির ভাই রিপনের কোটি টাকার সন্ধানে মাঠে পুলিশ” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টি গোচর হবার পর দেওভোগ পঞ্চায়েত কমিটি মনে করে যে, প্রয়াত জননেতা আলী আহমেদ চুনকার ঐতিহ্যবাহী পরিবারকে হেয় করার উদ্দেশ্যে উক্ত সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। কারণ ৯ই এপ্রিল দৈনিক ইত্তেফাকে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়, যার ভুল সংশোধনী পরের দিন ১০ই এপ্রিল দেওয়া হয়। এ বিষয়ে এলাকার সকলের সাথে আলাপ আলোচনা করে দৈনিক ডান্ডিবার্তা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক জনাব হাবিবুর রহমান বাদল অত্র এলাকার বাসিন্দা বলে ১১ই এপ্রিল সংবাদ প্রকাশের পরের দিন তার কাছে গিয়ে এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো ও সন্তোষজনক জবাব জানার জন্য যাই। আমরা ১২ই এপ্রিল সকাল অনুমান ১০.০০ টায় জনাব হাবিবুর রহমান বাদলের বাড়ীতে যাই। আমাদের মধ্যে ছিলেন, সর্ব জনাব সাবেক পৌর কমিশনার আহসানউল্লাহ, সাবেক জি. এস মোঃ জাহাঙ্গির আলম, আলহাজ্ব নুরূল ইসলাম, বাহাউদ্দিন ভূলু, সালাউদ্দিন বদ্দিন, আলহাজ্ব আজিজুল ইসলাম তপন, আমানুল হক মুকুল, মঞ্জুর হোসাইন ও আলহাজ্ব আফছার উদ্দিন আফছু।

তিনি বলেন, আমি অসুস্থ্য ছিলাম, কিভাবে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে আমি জানি না। তবে পত্রিকা যেহেতু আমার সেই কারণে দায়-দায়িত্বও আমার। এক সময় তার স্ত্রী দুলারী বেগম হুমকীর স্বরে বলেন দেখবেন কালকের পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হবে সাংবাদিক বাদলের বাড়ীতে হামলা হয়েছে। পরের দিন ১৩ই এপ্রিল ডান্ডিবার্তা পত্রিকায় দেখলাম সম্পাদের বাড়ীতে সন্ত্রাসীদের হামলার চেষ্টা শীর্ষক একটি সংবাদ। সংবাদের ভেতরে বলা হয়েছে উজ্জ্বল (প্রয়াত জননেতা আলী আহমেদ চুনকার কনিষ্ঠ সন্তান) বিশাল বাহিনী নিয়ে হামলার চেষ্টা চালায়। এই সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ রকম কোন ঘটনাই ঘটে নি। সংবাদটি দেখে আমরা প্রথমে মর্মাহত হই। মনে প্রশ্ন জাগে, তাহলে আমরা কি সন্ত্রাসী? আমরা তার বাড়ীতে গিয়েছিলাম এলাকায় সম্প্রীতি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে এবং প্রতিবেশীদের মাঝে সু-সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায়। কিন্তু জনাব হাবিবুর রহমান বাদল আমাদের সম্পূর্ন অবজ্ঞা করলেন মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে। আমরা হামলার চেষ্টা সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তার প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে এলাকাবাসীর প্রতি এ সব অবিবেচনা প্রসূত অবস্থান না নেয়ার জন্য।
উল্লেখ করতে হয় যে, ১১ই এপ্রিল ডান্ডিবার্তার পত্রিকায় সম্মানিত মেয়র ডাঃ সেলিনা হায়াৎ আইভি ও তার ছোট ভাই মোহাম্মদ আলী রেজা রিপন-কে জড়িয়ে যে সংবাদটি প্রকাশ হয় তার সংশোধনী ও ব্যাখ্যা সম্বলিত একটি সংবাদ ১৩ই এপ্রিল প্রকাশ হয়। এটি আমাদের দৃষ্টি গোচরে আসে। ১১ই এপ্রিল প্রকাশিত সংবাদে যে আক্রমনাত্মক ভাষা ব্যবহার করা হয় তার ১৩ই এপ্রিল প্রকাশিত সংশোধনীতে তার যথাযথ ব্যাখ্যা দেওয়া হয় নি। প্রথম প্রকাশিত সংবাদে তারা বলেছিলেন টাকা-টা সাদা না কালো, টাকাটা বেহাত হওয়ার পরে রিপন নিরব কেন? মাঠে নেমেছে পুলিশ। এ ধরণের আরো অনেক বাক্য, যা সম্পূর্ণ বানোয়াট যা তারা সংবাদে ব্যবহার করে। সংবাদের একটি অংশে শুধু দৈনিক ইত্তেফাকের কথা বলা হয় এবং ১১ই এপ্রিল মধ্য রাতে তার ফেসবুকে ঐ সংবাদটি প্রকাশ করেন।
অন্যদিকে পরের দিন ইত্তেফাকে সংশোধনী দেয়া হয়েছিল যা কিনা হাবিবুর রহমান বাদল জানার কথা। তিনি এ পত্রিকার নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি।
আমরা প্রত্যাশা করছি এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য জনাব হাবিবুর রহমান বাদল তার বর্তমান অবস্থান থেকে সরে এসে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমাদের সঙ্গে থাকবেন। ###