চুনকা পরিবারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের চাবিকাঠি নাড়ছে কে: কার ইশারায় বাদল মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করলো ?

4392

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী’র রাজনৈতিক ও সামাজিক ইমেজে ইশ^ান্বিত হয়েই তার বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্র ও তার দুই ভাইকে সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজ বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সচেতন নগরবাসি। । নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিগত সময় আলী আহাম্মদ চুনকা’র বিরোধিতা করেছে যারা। বর্তমানে চুনকা পরিবারের জনপ্রীয়তায় বিচলিত হয় কোন পরিবার ? একজন প্রভাবশালী নেতা বরাবর চুনকা পরিবারের বিরোধিতা করে আসছে। প্রচন্ড হিংসা ও পরশ্রীকাতরতা থেকেই আন্ডারগ্রাউন্ডে বসে কে এসব ষড়যন্ত্রে চাবিকাঠি নাড়ছে এটা নগরবাসির কাছে আয়নার মত পরিস্কার। নারায়ণগঞ্জের মানুষ আলী আহম্মদ চুনকার দুই ছেলে ও বড় মেয়ে মেয়র আইভীকে ভাল করেই চেনেন। আর এর প্রতিফলনে পরপর তিনবার নগর মাতার গুরুত্বপূর্ন দায়িত্বে নগরবাসির অভিবাবক নির্বাচিত করেছেন এ চুনকা পরিবার থেকেই এমন মতামত জানিয়েছেন সমাজের বিশিষ্টজনরা । তারা এ বিষয়ে আরো বলেছেন, নিপুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কাউকে সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজ বানানো চেষ্টা করা হবে আর নারায়ণগঞ্জের মানুষ এটা বিশ^াস করবে নগরবাসিকে এতো বোকা ভাবার কোন কারন নেই। নগর বাসি অত্যন্ত সচেতন এটার প্রমান দিয়েছে বিগত সময়ের কয়েকটি গুরুত্ব পূর্ন নির্বাচনে।
এ ষড়যন্ত্রের রোষানলে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে কখনো মেয়র আইভী, তার দুই ভাই আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জল ও আলী রেজা রিপনকে। বিগত সময় আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জলকে কেঙ্গারু পারভেজ গুম খুন মামলায় ফাসানোর চেষ্টা করে জেল খাটিয়েছে। সম্প্রতি আলী রেজা রিপনকে কালো টাকার মালিক বানিয়ে চুনকা পরিবারের মর্যাদা খুন্ন করা চেষ্টা করা হচ্ছে। আর এ কারনেই ওই বিশেষ পরিবারের দালালরা মিথ্যা তথ্য দিয়ে কাল্পনিক ঘটনা সাজিয়ে একের পর এক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এর বড় প্রমান একে এম শামীম ওসমান বিগত সময়ে টেলিভিশনের একটি টক শো অনুষ্ঠানে সরাসরি আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জলকে নগরীর একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী বলে মন্তব্য করেছেন। সে সেময় টেলিভিশনে শামীম ওসমানের এমন বক্তব্যে কঠোর সমালোচনা করেছেন নারায়ণগঞ্জবাসি। আলী আহাম্মদ চুনকার দুই ছেলেকে সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিবাজ বানাতে চায় কারা? মেয়র আইভীর বিরুদ্ধে একাধিকবার দুর্নীতি দমন কমিশনকে দুর্নীতি তদন্ত করার তাগিদ দিয়েছে কোন পরিবার। পরিশেষে এ মিশনেও ব্যার্থ হয়েছে। কারন আইভীর বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতি’র অভিযোগ প্রমান করতে পারেনি দুর্নীতি দমন কমিশন। নারায়ণগঞ্জের মানুষের কাছে চুনকা পরিবারকে সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজ প্রতিষ্ঠিত করতে কে উঠেপরে লেগেছে এটা নগর বাসি ভাল করেই জানেন। আর এ কারনেই সরাসরি আইভীর বিরুদ্ধে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন করে সর্বোচ্চ ক্ষমতা অর্থ প্রয়োগ করেও বিপুল ভোটের ব্যাবধানে পরাজিত হয়েছেন। চুনকা পরিবারকে নারায়ণগঞ্জবাসি ভালবাসে বলেই আইভীকে তিনতিনবার মেয়র নির্বাচিত করেছেন নগরবাসি। আইভীর ভাই উজ্জল রিপনকে নগরবাসি ভাল করেই চিরেন। উজ্জল ও রিপনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তাদের নিয়োজিত দালালদের লেলিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি পরিবর্তন করার চেষ্টা করা আর ভরাট বালিতে পানি ঢালার সমান।
সম্প্রতি উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে এবং একজন প্রভাবশালী ব্যাক্তির প্ররোচনায় দৈনিক ইত্তেফাকের নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ও দৈনিক ডান্ডি বার্তা পত্রিকার সম্পাদক হাবিবুর রহমান বাদল মিথ্যা তথ্য দিয়ে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় ও স্থানীয় ডান্ডি বার্তা পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত করে আলী আহাম্মদ চুনকা পরিবারের সম্মানহানী করেছেন। আহাম্মদ আলী রেজা রিপন একজন সহজ,সরল, শান্তিপ্রিয়,ভদ্র,মার্জিত ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যাবসায়ী। সে পশ্চিম দেওভোগ পঞ্চায়েত কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের কমিটিতে গুরুত্বপূর্ন পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি নগরীর একটি সম্ভ্রান্ত পরিবার সাবেক পৌরপিতা আলী আহাম্মদ চুনকার ছেলে, বর্তমান সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর ছোট ভাই এবং মহানগর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আহম্মদ আলী রেজা উজ্জলের বড় ভাই। তিনি কার স্বার্থ হাসিল করার জন্য এমন একটি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে চুনকা পরিবারের সম্মানহানি ঘটালো। হাবিবুর রহমান বাদল নিজে অবগত আছেন ইত্তেফাক পত্রিকায় রিপনের নাম ভূলে আসায় সংশোধনী ছাপিয়েছেন এবং ইত্তেফাক পত্রিকায় কোথাও রিপনের অবৈধ টাকার উৎস বের করতে পুলিশ মাঠে নামছে উল্লেখ করে নাই। তার পরও তার সম্পাদিক ইত্তেফাক পক্রিকায় তিনি পুলিশের বরাত দিয়ে এসব বিষয় জোর করে তুলে আনলেন। এবং এ ঘটনাটি এত বড় হেডলাইন করে ফলাও করে প্রকাশিত করে সমালোচনার জন্মদিলেন। এসব মিথ্যাচারের কারনে এলাবাসি ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১২ এপ্রিল হাবিবুর রহমানের বাড়ি ঘেরাও করে প্রতিবাদ করেছে। আর এ ঘটনাকে বিপরীত ভাবে পত্রিকার মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে আহাম্মদ আলী রেজা উজ্জলের নেতেত্বে সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। উজ্জলকে সন্ত্রাসী বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে কার ইশারায়।
এ ব্যাপারে দেওভোগ পঞ্চায়েত কমিটির কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তার জানিয়েছেন, হাবিবুর রহমান বাদল ইত্তেফাক পত্রিকার কাজ করছেন, তার মানে সাড়ে চার কোটি টাকা রিপনের না এ টাকার মালিক জহিরুল ইসলাম জহির। এ কারনে ইত্তেফাক পত্রিকা ভুল সংশোধনী দিয়ে রিপনের নাম আসায় ভুল স্বীকার করেছেন। এ ঘটনা হাবিবুর রহমান বাদল জেনেও তার নিজের সম্পাদিত ডান্ডি বার্তা পত্রিকায় ঘটনার একদিন পর রিপনের নাম জড়িয়ে আইভীর ছবি দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করার উদ্দেশ্য কি? হাবিবুর রহমান বাদল এক প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিক ঠিক আছে। কিন্তু তিনি সমাজের এমন হয়ে যায়নাই যে তার মনমর্জিমত কিছু লিখে দিবে তাকেও সমাজ নিয়ে বসাবাস করতে হয়। সে সমাজের মানুষই তার বাড়ি ঘেরাও করে প্রতিবাদ করেছে কেন সে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করলো। কার স্বার্থ রক্ষার জন্য সে এমন কাজ করেছে। হাবিবুর রহমান বাদল আইভীর বাড়ির প্রতিবেশী সে নিজেও উজ্জল রিপনকে ভাল করে চেনেন। বাদল বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে উজ্জল রিপন সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজ। এ সে কখোনোই বলতে পারবে না। সে মনে করেছিল সে একজন সাংবাদিক বলে মানুষ তার হদুল সাংবাদিকতাকে ভয় পেয়ে প্রতিবাদ করবে না। এখন সে নিশ্চই বুঝতে পেরেছে সমাজে ইচ্ছে করলেই কাউকে সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজ বানানো যায় না। আর চুনকা পরিবারের সাথে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ আছে। এখনই তার সাবধন হওয়া দরকার। বাদলের এ মিথ্যাচার নারায়ণগঞ্জবাসি কখনো মেনে নেবে না। আর প্রভাবসালী রাজনৈকি নেতা সে নিজেও জানে না দিনে দিনে তাদের কতটা অধপতন হয়েছে। এক সময় নারায়ণগঞ্জবাসি এ পরিবারটিকে নগর থেকে অবাঞ্চিত করে দেবে। এটাই বিধির নিয়ম কারন কেউ অন্যের নষ্ট করতে চাইলে এটা হিতে বিপরীত হয়। আল্লাহ তারই অমঙ্গল করে বেশী। ####