ওরে বাবা এত বড় সাহস, চেক প্রত্যাখ্যান! তাও আবার ওসমান সাহেবের মামা শ্বশুরের?

1614

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: শামীম ওসমানের মামা শ্বশুরের দায়ের করা চেক প্রত্যাখাত মামলায় ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বিকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবেদন প্রকাশের পর পাঠকরা মন্তব্য করে লিখেছেন, ওরে বাবা এত বড় সাহস, চেক প্রত্যাখ্যান! তাও আবার ওসমান সাহেবের মাম শ্বশুরের? আরেক পাঠক মন্তব্য করে ছিলেছেন, প্রভাশালীরা অতি মেধাবী ছেলেটিকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি। বাবাকে বছরের পর বছর ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। এখন তাঁকে জেলেও পাঠাচ্ছে। রফিউর রাব্বিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার পর আজ (মঙ্গলবার) দৈনিক প্রথম আলোর অনলাইনে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে পাঠকরা এ ধরনের একাধিক মন্তব্য করেন। নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম অনলাইনের পাঠকদেও জন্য একাঠিক পাঠকের মন্তব্যগুলো হুবহুব তুলে ধরা হলো।

ওরে বাবা, এত বড় সাহস? চেক প্রত্যাখ্যান! তাও আবার ওসমান সাহেবের মামা শ্বশুরের?

এটি হচ্ছে দানব হয়ে উঠার গল্প।

প্রভাশালীরা অতি মেধাবী ছেলেটিকে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি। বাবাকে বছরের পর বছর ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। এখন তাঁকে জেলেও পাঠাচ্ছে।

মিঃ সোলায়মান ! অন্ততঃ অনেকের মধ্যে আপনার বিবেক জাগ্রত হয়েছে দেখে ভাল লাগলো। আপনার মন্তব্যটা পড়ে দু’চোখের কোলে কিছুটা চিকচিকে অশ্রু এসে হানা দিল। ধন্যবাদ !

পুত্র হত্যার অমানবিক ন্যায় বিচার পেল!!!

নারায়ণগঞ্জে নিহত ছাত্র তানভীর মোহাম্মদ ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বাহ বাহ বাহ…..

বেশ বিচার! বেশ সাজা! পুত্র হারানোর শোক ভুলিয়ে দেবার ভাল উপায়।

বাহ বাহ বাহ এদেশে চেক প্রত্যাখ্যানের অভিযোগে কারাগারে ঠিকই যাচ্ছে কিন্তু খুন–ধর্ষণের জন্য কেউ কারাগারে যাচ্ছে না!!

ত্বকীর হত্যাকারীরা তো আইনের উর্ধে, তা না হ’লে বছরের পর বছর ঐ মামলার তদন্ত ও চার্জশীট ঝুলে থাকে কিভাবে ! বিবেকরে জাগ্রত করুন !!

“মামলার বাদী জালালউদ্দিন আহমেদ, তিনি স্থানীয় সাংসদ ও আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমানের মামাশ্বশুর।”

দেখতে থাকুন-শুনতে থাকুন চুপ থাকুন।

ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে নিজেই এখন আসামী!!

তিনি স্থানীয় সাংসদ ও আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমানের মামা শ্বশুর। এই না আমাদের বাংলাদেশ!

অন্ধকারকে অন্ধকার দিয়ে দূরে ঠেলতে পারা যাবে এমন আশা বাতুলতা মাত্র; আমাদের ভেতরের অন্ধকার বিষয়ে আত্মোপলব্ধি দেখতে পাই না। মনের সেই অন্ধকারের মধ্যে যে আলো প্রবেশ করছে না, সে কথা বলার সময় কোথায়? বিত্ত, প্রাচুর্যের অহংকার আর আপাত সাফল্যের ঘোর কী আমাদের অন্ধ করে দিচ্ছে?’ ক্রমশ কেন বর্বর হয়ে গেলাম আমি, আপনি, তুমি, সে। এ কী সভ্যতার অভিশাপ? আইনের শাসন কখন ভেঙে পড়ে? অপরাধীরা যখন নিশ্চিত হয়, নিরপরাধী যখন আতঙ্কে থাকেন, তখনই তো আইনের শাসন ভেঙে পড়ে। সীমাহীন লোভের কাছে মানুষ নিজেই কী হেরে গেছে। না যন্ত্রসভ্যতা মুছে দিয়েছে মানুষের সব আবেগ, সব মানবিকতা। অন্যের বিনাশেই কী এখন মুক্তি খুঁজছে মানুষ। নৈতিকতার জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে মেকি নৈতিকতা। আদিম সমাজে যখন কোন রাষ্ট্র ছিল না, কোন বাহিনী ছিল না, সেই অর্থে কোন নৈতিকতাও ছিল না, তখনও কী মানুষ এতটা নিষ্ঠুর ছিল?

‘জামাইরা’ থাক জামাই আদরে .. . !! ত্বকীর বাপ যাক জেলে .. . সত্যিই সেলুকাস !!!??

অপরাধ কি? ত্বকীর বাবা হওয়া, নাকি চেক প্রত্যাখ্যান, যদি চেক প্রত্যাখ্যান সত্য হয়ে থাকে তবে ত্বকীর বাবা হওয়ার কারনে উনি বিচারের উর্ধে ।

বেশি বারাবারি হয়ে যাচ্ছে।