আড়াইহাজারে ডাকাতিতে অংশ নেয় ১৮ সদস্য, ডাকাত সর্দার চিহ্নিত

301

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: জেলার আড়াইহাজারে চাউলের আড়তে ডাকাতির মিশনে অংশ নিয়েছিল ডাকাত দলের ১৮ সদস্য। এ ডাকাত দলের টিম লিডার ছিল শওকত ওরফে সোহাগ। ডাকাতিতে অংশ নেয়া নিহত ট্রাক চাল রনি ঢাকার তেজগাও থেকে নিজের ট্রাক সহ ১৭ জন সদস্যকে সংগ্রহ করে নিয়ে আসে। এ ১৮ জন সদস্যের মধ্যে অনেকেই ভাড়ায় শ্রমিক ছিল। আন্ত:জেলায় ডাকাত সর্দার শওকত ওরফে সোহাগ সহ আরো বেশকয়েজন মাষ্টার মাইন্ডের সদস্য বিভিন্ন জেলায় এ ধরনের ডাকাতি সংগঠিত করে আসতো। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে ডাকাতিতে অংশগ্রহন করা পুলিশের হেফাজতে থাকা ডাকাত সদস্য লোকমানের কাছ থেকে এসব তথ্য পেয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত নিহত ৮ যাকাতের মধ্যে ৪ জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ৪ জনের লাশ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে। ডাকাতির ঘটনায় দুইটি মামলার মধ্যে চাউল আড়ত মালিকের দায়ের করা মামলায় ডাকাত দলের চার সদস্য সাব্বির,মানিক,সজীব ও লোকমানকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। এদিকে পুলিশ বাদি হয়ে অপর মামলায় এখনও কাউকে আটক করা হয়নি।
এদিকে মর্গে রাখা লাশের মধ্যে ২জনের লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন আছে।যাদের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে তারা হলেন রনি ওরফে গঠন। তার বাড়ি ফেনীর সোনাগাছি তানার আলমপুর গ্রামে। তার স্ত্রী নাজমা লাশ সনাক্ত করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে রনি ট্রাক চালক। সে ঢাকার তেজগাও থেকে ১৮জনকে ভাড়া করে নিয়ে এসে ডাকাতির কাজ করেছে। অপর চারজন ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালী থানার মধ্যবারাবো আকুয়া গ্রামের রুবেল, টিটু, শওকত ও রানা।আহত চারজনের মধ্যে সজিব, মানিক ও সাব্বির আড়াইহাজার স্বাস্থ কমপেলক্সে ভর্তি আছে। অপর ডাকাত লোকমানকে পুলিশ হেফাজত থেকে আজ শুক্রবার সকালে চিকিৎসার জন্য আড়াইহাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হযেছে। সে চাঁদপুর সদরের ওসমান মিঞার ছেলে।
নারায়ণগঞ্জ সহকারী পুলিশ সুপার(বি সার্কেল) জহিরুল ইসলাম জানান, নিহত এবং আহত প্রত্যেকেই আন্তঃ জেলা ডাকাত জেলা দলের সদস্য। তারা পেশাদার ডাকাত। ডাকাতির ঘটনায় ১৮জন জড়িত ছিল।গ্রেফতারকৃত লোকমানের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এ ঘটনার মুল হোতা শওকত ওরফে সোহাগ। তাকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। ###