রূপগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা

432

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দুই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহম্মেদ আলমাছ বাদী হয়ে দৈনিক ইত্তেফাকের রূপগঞ্জ সংবাদদাতা এম.এ মোমেন ও দৈনিক মানবকণ্ঠ পত্রিকার রূপগঞ্জ প্রতিনিধি মো. হানিফ মোল্লা এবং টেক্সটাইল মিল মালিক মোশারফ হোসেনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলায় মুড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তোফায়েল আহম্মদ আলমাছ অভিযোগ করেন, গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেল তিনটায় আমি ও আমার সহকর্মী এজাজ আহম্মেদ ও শরীফ মঠের ঘাটস্থ ভূমি অফিসের সামনের রাস্তায় আলাপ আলোচনা করছিলাম। এসময় মোটর সাইকেলযোগে আসামী মোমেন, হানিফ ও মোশারফ আসে। আসামী হানিফ আমার মাথায় আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এসময় আসামীরা লোহার রড, জিআই পাইপ দিয়ে আমাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে। এসময় আসামী মোশারফ আমার সহকর্মী এজাজের পকেট থেকে ৫০ হাজার ৫শ’ টাকা ছিনিয়ে নেয়। হানিফ আমার ভাতিজা ফরিদের সাথে থাকা মুঠোফোন(১৬ হাজার ৫শ’ টাকা) ছিনিয়ে নেয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।
সাংবাদিক এম এ মোমেন জানান, গত ২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার একটি জাতীয় দৈনিকে ২৭ সেপ্টেম্বও আরেকটি জাতীয় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মুড়াপাড়ার দড়িকান্দি এলাকার একটি জমি বালু ভরাটের সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার জের আমাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের ধারণা, ওই পত্রিকা দুটিতে প্রকাশিত সংবাদের কারণে আমাদের সংশ্লিষ্ট্রতার অভিযোগ এনে মামলাটি দায়ের করে।
স্থানীয় এলাকাবাসী জানিয়েছে, মুড়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান তোফায়েল আহম্মদ আলমাছ জানান, সব সময় ৪ জন সশস্ত্র দেহরক্ষী নিয়ে চলাচল করেন। তার সশস্ত্র দেহরক্ষীসহ এই সংক্রান্ত একটি ছবি গত আগস্ট মাসে প্রথম আলোতে ছাপা হয়েছে। রূপগঞ্জের জেষ্ঠ্য সাংবাদিক এম এ মোমেন মিয়া ইতিপূর্বে আজকের কাগজ, ভোরের কাগজ ও প্রথম আলোতে কাজ করেছেন।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো: ইসমাইল হোসেন জানান, এই ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। যেহেতু মামলায় আসামী করা হয়েছে দুই সাংবাদিককে। তাই ঘটনার সঙ্গে অন্য কিছু থাকতে পারে। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখছি। অযথা নিরীহ কেউ যাতে কোন হয়রানি না হয় সে ব্যাপারে পুলিশ সর্তক রয়েছে। #