রূপগঞ্জে গণপরিবহনের দাবিতে রাস্তা অরোধ,বিক্ষোভ মানববন্ধন

67

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোডে (৩‘শ ফিট সড়ক) গণপরিবহনের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় শিক্ষার্থীরাসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও এলাকার সাধারণ মানুষ। এ সময় তারা বিক্ষোভ মিছিলসহ এশিয়ান হাইওয়ে (ঢাকা বাইপাস) সড়ক ও কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোড সড়ক ১৫ মিনিট অবরোধ করে রাখে। গতকাল শনিবার সকালে কাঞ্চন সেতুর পশ্চিমপাড়ে কাঞ্চন-কুড়িল সড়কে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
জানা যায়, রাজধানীর সাথে সহজতর যোগাযোগের সেতুবন্ধন করে দিয়েছে রাউজকের নির্মিত কাঞ্চন-কুড়িল বিশ্বরোড (৩‘শ ফিট) সড়ক। যানজট মুক্ত বিশাল সড়ক পথের ১৩ কিলোমিটার রাস্তা পার হতে সময় ব্যয় ১৫ মিনিট। এ কারণে উপজেলার কর্মজীবি মানুষসহ রাজধানীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই রাস্তায় যাতায়াত করেন। সিন্ডিকেডের মাধ্যমে এই রুটে প্রায় ৬ শতাধিক ফিটনেসবিহীন ট্যাক্সী ভাড়ায় চালিত হয়। এই সামান্য রাস্তায় প্রতিজন যাত্রীর কাছ থেকে ভাড়া নেয়া হয় ৬০-৮০ টাকা। যা স্বাভাবিক ভাড়ায় চেয়ে প্রায় ৫/৬ গুন বেশী। যার দরুন রাজধানীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও কর্মজীবি মানুষেরা তাদের কর্মস্থলে যেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ কারণে এই রুটে গণপরিবহন চালুর দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী, কাঞ্চন সলিমউদ্দিন চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠন আমরা কাঞ্চন পৌরবাসী, এফএনএফ ডিজিটাল ফাউন্ডেশন, আমরা জোনাকির দল, পূর্বাচল জিকে একাডেমী, তারুন্যের বিজ্ঞান, পূর্বাচল ইসলামী পাঠাগার, বন্ধু তোমার পাশে আছি সংগঠন, পূর্বাচল আদর্শ সেবা ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও গণমানুষ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। শনিবার সকাল ১০ টায় কাঞ্চন সেতুর পশ্চিমপাড়ে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচির পর কাঞ্চন-কুড়িল সড়ক ও এশিয়ান হাইওয়ে ( ঢাকা বাইপাস) সড়ক প্রায় ১৫ মিনিট অবরোধ করে গণপরিবহনের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। এ সময় সংক্ষিপ্ত পথসভায় আয়োজকরা বলেন, ১০ মিনিটের রাস্তা পার হতে ৬০-৮০ টাকা করে ভাড়া নিচ্ছে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চালিত ফিটনেসবিহীন ট্যাক্সী সার্ভিস। যা শিক্ষার্থী ও কর্মজীবি মানুষের রক্ত চোষার সমান। শুধু ভাড়া বাবদ একজন শিক্ষার্থীর প্রতিদিন ব্যয় হয় দুই থেকে আড়াই‘শ টাকা। এ কারণে অনেকে রাজধানীতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই এই রাস্তায় গণপরিবহন চালু হলে সাধারন মানুষের উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ বেড়ে যাবে। পাশাপাশি এলাকার কৃষকদের মালামাল খুব সহজে রাজধানীতে পৌছে যাবে। কর্মজীবি মানুষ উপকৃত হবে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি গণপরিবহন চালুর দাবি তুলেন তারা। আগামী এক মাসের মধ্যে এই রুটে গণপরিবহন চালু না হলে আরো কঠোর কর্মসূচি পালনের ঘোষনা দেন আয়োজকরা। ###