গলাটিপে শিশুকন্যা হত্যাকারী ঘাতক পিতা নাজমুল গ্রেপ্তার

191

বন্দর প্রতিনিধি: বন্দরে পরকীয়ার জের ধরে ১৪ মাস বয়সের শিশুকন্যা নুসরাত জাহান নুরীর হত্যাকারী ঘাতক পিতা নাজমুল (৩৪)কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা। হত্যাকান্ডের ৪০দিন পর সোমবার রাতে কাঁচপুর এলাকায় থেকে তাকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার তাকে ৭ দিনের রিমান্ড আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত পাষন্ড পিতা নাজমুল মুছাপুর ইউপির পিচকামতাল গ্রামের শাহজালাল মিয়ার ছেলে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুল হাকিম জানান, নাজমুলের সঙ্গে একই গ্রামের মৃত আলী মিয়া মুন্সীর মেয়ে মুসলিমা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের ৮ বছরের মধ্যে তাদের সংসারে নুরতাজ (৫) ও নুসরাত জাহান নুরী (১৪ মাস) দুটি কন্যা সস্তানের জন্ম হয়। নিহত ছোট মেয়ে নুসরাত জাহান নুরীর জন্মের পর থেকে নাজমুল পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। স্বামীর পরকীয়ায় বাধা দিতে গিয়ে মুসলিমার সংসারে চলে কলহ। স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়াঝাটি নিত্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।ওই মেয়েকে গোপনে বিয়ে করে রূপগঞ্জের বরপা এলাকায় ভাড়া বাসা নিয়ে বসবাস করতো নাজমুল। এ খবর পেয়ে গত ২৮-০৯-২০১৬ ইং তারিখে মুসলিমা আক্তার দুই শিশুকন্যাকে সঙ্গে নিয়ে বরপা থেকে নাজমুলকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে। এর পর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল ঝগড়া হলে নাজমুল ক্ষিপ্ত হয়ে ওই রাত শেষে ভোর ৫ টার দিকে স্ত্রীকে মারধরের পর ঘুমন্ত শিশুকন্যা নুরসাত জাহান নুরীকে গলাটিপে হত্যা করে পালিয়ে যায়। তার পর থেকে সে পলাতক। ৪০ দিন পর সোমবার রাতে ঘাতক পিতা নাজমুল তার পরকীয়া প্রেমিকা নিয়ে কাঁচপুর এলাকায় ঘুরাঘুরি করছিল। এসময় নিহত শিশুকন্যা নুরীর মামা আবু বক্কর মিয়ার চোঁখে পড়ে নাজমুল। এরপর জনতার সহায়তায় পাকরাও করে সোনারগাঁ থানার টহল পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরে সোনারগাঁ থানার পুলিশ বন্দর থানায় হস্তান্তর করে।###