ফতুল্লায় ক্লাস রুমে ঝাড়–দারের হাতে স্কুল শিক্ষার্থী শারীরিক নির্যাতনের শিকার

194

নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি হাই স্কুলে ঝাড়–দারের হাতে সপ্তম শ্রেনীর এক ছাত্রী শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ওই অভিযোগে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। রোববার সকালে ফতুল্লার দাপা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ওই ঘটনা ঘটে। পরে দুপুর ২টায় স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ঝাড়–দার মরিয়ম বেগমকে সাময়িক বহিস্কার করার ঘোষনা দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোস্তাইন বিল্লাহ্ বলেন, সকাল ১১টায় সপ্তম শ্রেনীর কক্ষে শিক্ষক জাফর ক্লাশ নিচ্ছিলেন। ওই সময় ব্ল্যাকবোর্ড পরিস্কার করার জন্য এগিয়ে যায় ওই ক্লাসের ছাত্রী মারজান ইসলাম শিপা। সে ডাস্টার দিয়ে ব্ল্যাকবোর্ড পরিস্কার করার সময় হঠাৎ ক্লাসে প্রবেশ করে ঝাড়–দার মরিয়ম বেগম। তখন ব্ল্যাক বোর্ড থেকে চকের গুঁড়া মরিয়ম বেগমের গায়ে ও চোখে উড়ে যায়। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং শিপার চুলের মুঠি ধরে মারধর করে।
তিনি আরো বলেন, ঘটনাটি স্কুলের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে মাঠে এসে একত্রিত হয়। এতে আশপাশের কিছু অভিভাবক এসে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিষয়টি জেনে ফুঁসে উঠে। এরপর সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ঝাড়–দার মরিয়ম বেগমের বিচার দাবীতে স্কুল মাঠে বিক্ষোভ করতে থাকে। উত্তপ্ত এ পরিস্থিতি শান্ত করতে ঝাড়–দার মরিয়মকে সাময়িক বহিস্কার করেছি। এতে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
তিনি বলেন, মরিয়ম বেগম আগে থেকেই একটু বেপরোয়া। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করার জন্য একাধিকবার তাকে তাগিদ দেওয়া হয়েছিল।
শিক্ষার্থীরা জানান, ঝাড়–দার মরিয়ম বেগম প্রায় সময়ই আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। কোন বিষয়ে জানতে চাইলে অথবা কথা বললেই আমাদের ধমক দেয়, চোঁখ রাঙ্গিয়ে ভয় দেখায়। একই অভিযোগ বিদ্যালয়ের বেশ ক’জন শিক্ষকেরও।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে ঝাড়–দার মরিয়ম বেগম বলেন, আমি কোন ছাত্রীকে মারধর করিনি। ময়লা আছে কিনা দেখতে ওই ক্লাসে গিয়েছিলাম। কোন শিক্ষার্থীকে মারধর না করলে তার বিরুদ্ধে এতবড় অভিযোগ উঠলো কেন জানতে চাইলে সে কোন উত্তর না দিয়ে চুপ থাকে। ###